Gopalbhog Mango গোপালভোগ আম ১০ কেজি

Original price was: ৳ 1,100.Current price is: ৳ 1,050.

রাজশাহীর গোপালভোগ আম! এই আম মাঝারি আকারের হলেও খুবই মিষ্টি স্বাদের। যারা মিষ্টি আম পছন্দ করেন তাদের জন্য এই আমটি বেশ ভাল হবে। গড়ে ৫-৬টি আমে এক কেজি হবে।

Out of stock

গোপালভোগ (Gopalbhog) আম তার অপূর্ব সুমিষ্ট স্বাদ ও মনকাড়া ঘ্রাণের জন্য বিশেষভাবে খ্যাত। যদিও এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাষ হয়, রাজশাহীর গোপালভোগই স্বাদ, গন্ধ ও গুণমানে শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত।

মে মাসের শেষ দিকে মাঝামাঝি এ আম পাকতে শুরু করে। প্রতিটি গোপালভোগ আমের ওজন সাধারণত ২০০ থেকে ৪০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। স্বাদে অতুলনীয় ও ঘ্রাণে মোহনীয় এই আমের আঁশ বেশ পুরু এবং  এর আঁটি বেশ পাতলা, ফলে খাওয়ার উপযোগী অংশ অনেক বেশি। পরিপুষ্ট অবস্থায় গোপালভোগ আম হালকা হলুদাভ লালচে রঙ ধারণ করে।

গোপালভোগ আম চেনার উপায়

গোপালভোগ আম তার স্বাতন্ত্র্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে সহজেই শনাক্ত করা যায়।

১. আমের বোটা: গোপালভোগ আমের বোটা বেশ শক্ত হয়। পাকতে শুরু করলে বোটার চারপাশে হালকা হলুদাভ রঙ দেখা যায়, যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।

২. আঁশের গঠন: এই আমের মজ্জার পরিমাণ বেশি, ফলে খেতে অত্যন্ত মসৃণ ও রসালো।

৩. স্বাদ ও ঘ্রাণ: স্বাদে এটি অতুলনীয়ভাবে মিষ্টি এবং এতে রয়েছে এক ধরনের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক ঘ্রাণ, যা সহজেই অন্য আম থেকে আলাদা করে।

৪. আকৃতি ও গঠন: গোপালভোগ আম দেখতে তুলনামূলকভাবে গোলাকার। এর কাঁধ সাধারণত কিছুটা চোকা/উঁচু হয়।

৫. পরিপক্বতার সময়: অন্যান্য জাতের আমের তুলনায় গোপালভোগ আম আগেভাগেই পাকে, সাধারণত মে মাসের মাঝামাঝি এটি পরিপক্ক হতে শুরু করে।

৬. ত্বকের রঙ: পাকার সময় এই আমের খোসা হালকা হলুদ ও লালচে রঙ ধারণ করে, যা দেখতে খুব আকর্ষণীয়।

৭. আঁটির বৈশিষ্ট্য: গোপালভোগ আমের আঁটি বেশ পাতলা, ফলে ফলের ভক্ষণযোগ্য অংশ বেশি পাওয়া যায়।

৮. ওজন ও আকার: সাধারণত একটি গোপালভোগ আমের ওজন ২০০ থেকে ৪০০ গ্রামের মধ্যে হয়ে থাকে, এবং তা হাতের মুঠোয় সহজেই ধরা যায়।

 কোন আম সংগ্রহ করবেন?

১. পরিপুষ্ট আম সংগ্রহ: ডেলিভারির সময় যাতে আম পঁচে না যায়, সেজন্য সম্পূর্ণ পাকা হওয়ার আগেই পরিপুষ্ট অবস্থায় আম সংগ্রহ করা উত্তম। এতে পরিবহনের সময় আমের গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।

২. বোটার কষ বের করে ফেলা: আম সংগ্রহের পর বোটাটি কেটে ফেলে দিলে ভেতরের কষ বেরিয়ে যেতে পারে, যা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৩. পাকা শুরু হলে দ্রুত ব্যবহার: আম যখন পাকতে শুরু করে, তখন দেরি না করে তা খেয়ে ফেলা বা প্রক্রিয়াজাত করে সংরক্ষণ করাই সর্বোত্তম, কারণ পাকা আম বেশি দিন ভালো থাকে না।

যেভাবে গোপালভোগ (Gopalbhog) আম (দীর্ঘদিন)সংরক্ষণ করবেনঃ

১. ফ্রিজে রাখা (Refrigeration)

  • পাকা আম ফ্রিজের নিচের শেলফে রেখে ৫-৭ দিন পর্যন্ত ভালো রাখা যায়।
  • ফ্রিজে রাখার আগে আম ভালোভাবে শুকনো করে নিতে হবে যাতে আর্দ্রতার কারণে পচে না যায়।

২. ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ (Freezing)

  • আমের খোসা ছাড়িয়ে টুকরো করে বা ম্যাশ করে (পেস্ট আকারে) এয়ারটাইট ব্যাগ বা কন্টেইনারে রেখে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায়।
  • এভাবে ৬ মাস বা তারও বেশি সময় পর্যন্ত আমের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ অনেকটা বজায় থাকে।
⚠️ সতর্কতা:
  • কখনোই ভেজা বা পানি লেগে থাকা আম সংরক্ষণ করবেন না। এতে ছাঁচ পড়ে ও দ্রুত পঁচে যায়।
  • রাসায়নিক (কার্বাইড, ইথোফেন) দিয়ে পাকানো আম কখনোই দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য নয় এবং তা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
Weight 10 kg
SKU: M-001 Category: Tags: , ,
Complete Order
  • No products in the cart.
0