রাজশাহীর আম্রপালি আম! আমরা সিজনের প্রথম দিকে রাজশাহী এবং সিজনের শেষ দিকে নওগাঁর আম্রপালি আম দিয়ে থাকি। মাঝারি আকারের হলেও খুবই মিষ্টি স্বাদের। যারা মিষ্টি আম পছন্দ করেন তাদের জন্য এই আমটি বেশ ভাল হবে। গড়ে ৪/৫টি আমে এক কেজি হবে।
৳ 1,250 – ৳ 2,400Price range: ৳ 1,250 through ৳ 2,400
আম্রপালি (Amropali) আম তার অপূর্ব সুমিষ্ট স্বাদ ও মনকাড়া ঘ্রাণের জন্য বিশেষভাবে খ্যাত। যদিও এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চাষ হয়, রাজশাহী এবং নওগাঁর আম্রপালি স্বাদ, গন্ধ ও গুণমানে শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত।
জুন মাসের মাঝামাঝি এ আম পাকতে শুরু করে। প্রতিটি আম্রপালি আমের ওজন সাধারণত ২৫০ থেকে ৪০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে। স্বাদে অতুলনীয় ও ঘ্রাণে মোহনীয় এই আমের আঁশ বেশ পুরু এবং এর আঁটি বেশ পাতলা, ফলে খাওয়ার উপযোগী অংশ অনেক বেশি। পরিপুষ্ট অবস্থায় আম্রপালি আম হালকা হলুদাভ লালচে রঙ ধারণ করে।
আম্রপালি আম তার স্বাতন্ত্র্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে সহজেই শনাক্ত করা যায়।
১. আমের বোটা: আম্রপালি আমের বোটা বেশ শক্ত হয়। পাকতে শুরু করলে বোটার চারপাশে হালকা হলুদাভ রঙ দেখা যায়, যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
২. আঁশের গঠন: এই আমের মজ্জার পরিমাণ বেশি, ফলে খেতে অত্যন্ত মসৃণ ও রসালো।
৩. স্বাদ ও ঘ্রাণ: স্বাদে এটি অতুলনীয়ভাবে মিষ্টি এবং এতে রয়েছে এক ধরনের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক ঘ্রাণ, যা সহজেই অন্য আম থেকে আলাদা করে।
৪. আকৃতি ও গঠন: আম্রপালি আম দেখতে তুলনামূলকভাবে লম্বাটে।
৫. পরিপক্বতার সময়: অন্যান্য জাতের আমের তুলনায় আম্রপালি আম সাধারণত জুন মাসের মাঝামাঝি এটি পরিপক্ক হতে শুরু করে।
৬. ত্বকের রঙ: পাকার সময় এই আমের খোসা হালকা হলুদ ও লালচে রঙ ধারণ করে, যা দেখতে খুব আকর্ষণীয়।
৭. আঁটির বৈশিষ্ট্য: আম্রপালি আমের আঁটি বেশ পাতলা, ফলে ফলের ভক্ষণযোগ্য অংশ বেশি পাওয়া যায়।
৮. ওজন ও আকার: সাধারণত একটি আম্রপালি আমের ওজন ২৫০ থেকে ৪০০ গ্রামের মধ্যে হয়ে থাকে, এবং তা হাতের মুঠোয় সহজেই ধরা যায়।
১. পরিপুষ্ট আম সংগ্রহ: ডেলিভারির সময় যাতে আম পঁচে না যায়, সেজন্য সম্পূর্ণ পাকা হওয়ার আগেই পরিপুষ্ট অবস্থায় আম সংগ্রহ করা উত্তম। এতে পরিবহনের সময় আমের গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।
২. বোটার কষ বের করে ফেলা: আম সংগ্রহের পর বোটাটি কেটে ফেলে দিলে ভেতরের কষ বেরিয়ে যেতে পারে, যা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
৩. পাকা শুরু হলে দ্রুত ব্যবহার: আম যখন পাকতে শুরু করে, তখন দেরি না করে তা খেয়ে ফেলা বা প্রক্রিয়াজাত করে সংরক্ষণ করাই সর্বোত্তম, কারণ পাকা আম বেশি দিন ভালো থাকে না।
১. ফ্রিজে রাখা (Refrigeration)
২. ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ (Freezing)
| Weight | 20 kg |
|---|---|
| পরিমাণ (কেজি) | ১০ কেজি, ২০ কেজি |